আমাদের মূল ফিচারসমূহ
আমাদের প্ল্যাটফর্মের প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলো যা আপনার কাজকে আরও সহজ, দ্রুত এবং নিরাপদ করে তুলবে।
আমাদের ফিচারসমূহ
BillTuli ব্যবহার করে সহজে ভাড়া ও মাসিক পেমেন্ট পরিচালনা করুন
ভাড়া সংগ্রহ সহজ করুন
মাসিক ভাড়া ম্যানেজমেন্ট: প্রতিটি ফ্ল্যাট বা রুমকে একটি 'সাবস্ক্রিপশন' হিসেবে সেট করে মাসিক ভাড়ার ইনভয়েস অটোমেটিক জেনারেট করা যায়।
ভাড়াটিয়াদের প্রোফাইল: কোন ভাড়াটে কোন ফ্ল্যাটে আছেন এবং তাদের পেমেন্ট স্ট্যাটাস কী, তা সহজেই ট্র্যাক করা সম্ভব।
বকেয়া ও পেমেন্ট রিমাইন্ডার: কার কত টাকা ভাড়া দেওয়া বা পেমেন্ট করা বাকি আছে তার অটোমেটেড হিসাব রাখা যায়।
ইউটিলিটি বিল ট্র্যাকিং: ভাড়ার পাশাপাশি বিদ্যুৎ বিল, গ্যাস বিল বা পানির বিলের হিসাবও আলাদা ক্যাটাগরিতে রাখা সম্ভব।
সাবস্ক্রিপশন ম্যানেজমেন্ট
সাবস্ক্রিপশন প্ল্যান তৈরি: ব্যবসার ধরণ অনুযায়ী মাসিক, বাৎসরিক বা কাস্টম মেয়াদী বিভিন্ন সাবস্ক্রিপশন প্যাকেজ তৈরি করা যায়।
অটোমেটেড ইনভয়েস জেনারেট: নির্দিষ্ট সময় পরপর (যেমন প্রতি মাসের ১ তারিখে) গ্রাহকের নামে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ইনভয়েস বা বিল তৈরি হয়ে যায়, যা ম্যানুয়াল কাজের ঝামেলা কমায়।
রিকারিং পেমেন্ট ট্র্যাকিং: যে পেমেন্টগুলো বারবার আসে, সেগুলোর একটি সুশৃঙ্খল রেকর্ড থাকে। এর ফলে কোন গ্রাহকের পেমেন্ট কবে ডিউ হবে, তা সহজেই বোঝা যায়।
পেমেন্ট স্ট্যাটাস ড্যাশবোর্ড: একটি কেন্দ্রীয় ড্যাশবোর্ড থেকে দেখা যায় কতজন গ্রাহকের পেমেন্ট 'পেইড' (Paid) আর কতজনের 'ডিউ' (Due) আছে।
পেমেন্ট গেটওয়ে ইন্টিগ্রেশন: গ্রাহকরা যাতে অনলাইনে কার্ড বা মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে সরাসরি বিল পরিশোধ করতে পারে, সেই সুবিধা যুক্ত করা যায়।
বকেয়া নোটিফিকেশন: সাবস্ক্রিপশনের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে বা পেমেন্ট ডিউ হলে গ্রাহককে স্বয়ংক্রিয়ভাবে রিমাইন্ডার বা নোটিফিকেশন পাঠানোর ব্যবস্থা করা সম্ভব।
ভাড়াটে বা ক্লায়েন্ট ম্যানেজমেন্ট: প্রতিটি গ্রাহকের আলাদা প্রোফাইল থাকে, যেখানে তাদের আগের সব পেমেন্ট হিস্ট্রি এবং বর্তমান সাবস্ক্রিপশনের বিস্তারিত জমা থাকে।
মাল্টি-কোম্পানি সাপোর্ট: আপনি যদি একাধিক ব্যবসা পরিচালনা করেন, তবে একই অ্যাকাউন্ট থেকে আলাদা আলাদা ব্যবসার সাবস্ক্রিপশন এবং বিলিং ম্যানেজ করতে পারবেন।
পেমেন্ট ট্র্যাকিং
রিয়েল-টাইম পেমেন্ট স্ট্যাটাস: কোনো গ্রাহক বিল পরিশোধ করা মাত্রই সিস্টেমের ড্যাশবোর্ডে তা আপডেট হয়ে যায়। ফলে আপনাকে ম্যানুয়ালি চেক করতে হয় না কার টাকা জমা হলো আর কারটা বাকি।
অটোমেটেড পেমেন্ট হিস্ট্রি: প্রতিটি গ্রাহকের জন্য আলাদা পেমেন্ট লেজার বা ইতিহাস থাকে। এতে অতীতে তারা কবে, কত টাকা এবং কোন মেথডে পেমেন্ট করেছে, তার পূর্ণাঙ্গ রেকর্ড পাওয়া যায়।
বকেয়া বা ডিউ ট্র্যাকিং: কার কত টাকা বকেয়া আছে এবং কতদিন ধরে বকেয়া আছে, তা একটি নির্দিষ্ট লিস্টের মাধ্যমে দেখা যায়। এটি বকেয়া আদায়ে খুব কার্যকর ভূমিকা রাখে।
মাল্টি-কারেন্সি ও মেথড সাপোর্ট: গ্রাহক বিকাশ, নগদ, কার্ড বা সরাসরি ক্যাশে পেমেন্ট করুক না কেন, সব ধরণের পেমেন্ট মেথড এক জায়গায় ট্র্যাক করা সম্ভব।
পেমেন্ট কনফার্মেশন ও রিসিট: পেমেন্ট সাকসেসফুল হওয়ার সাথে সাথে গ্রাহককে ডিজিটাল মানি রিসিট বা কনফার্মেশন পাঠানো যায়, যা ব্যবসার পেশাদারিত্ব বাড়ায়।
আয়-ব্যয়ের রিপোর্ট: নির্দিষ্ট সময় অন্তর (যেমন- দৈনিক, সাপ্তাহিক বা মাসিক) মোট কত টাকা কালেকশন হলো, তার বিস্তারিত গ্রাফিক্যাল এবং টেবিল রিপোর্ট পাওয়া যায়।
পার্টি বা কাস্টমার ওয়াইজ ব্যালেন্স: কোনো নির্দিষ্ট কাস্টমার বা ভাড়াটের কাছে মোট কত টাকা পাওনা আছে, তা এক ক্লিকেই দেখে নেওয়া যায়।
রিফান্ড ও অ্যাডজাস্টমেন্ট ট্র্যাকিং: যদি কোনো পেমেন্ট রিফান্ড করতে হয় বা আগের কোনো পাওনার সাথে অ্যাডজাস্ট করতে হয়, তবে সেই ট্র্যাকিংও নিখুঁতভাবে করা সম্ভব।
নিরাপদ ও নির্ভরযোগ্য
হিউম্যান এরর মুক্ত: ম্যানুয়াল খাতা বা এক্সেলে হিসাব রাখলে ভুলের সম্ভাবনা থাকে, কিন্তু বিলতুলি-র অটোমেটেড ক্যালকুলেশন সিস্টেম প্রতিটি ট্রানজেকশন নির্ভুলভাবে সম্পন্ন করে।
অডিট ট্রেইল: প্রতিটি পেমেন্ট বা ইনভয়েসের পেছনে একটি নির্দিষ্ট ট্র্যাকিং আইডি থাকে, যা যেকোনো লেনদেনের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করে।
এক কথায়: ব্যবসায়িক লেনদেনের গোপনীয়তা রক্ষা এবং ডিজিটাল হিসাবের নির্ভুলতা বজায় রাখতে BillTuli.com একটি আধুনিক ও আস্থাশীল প্ল্যাটফর্ম।
ব্যবহারকারী-বান্ধব ইন্টারফেস
সহজ ড্যাশবোর্ড: লগইন করার পরপরই একটি পরিষ্কার ড্যাশবোর্ড দেখা যায়, যেখানে ব্যবসার মোট আয়, বকেয়া বিল এবং বর্তমান সাবস্ক্রিপশন সংখ্যা গ্রাফ ও চার্টের মাধ্যমে ফুটে ওঠে। এর ফলে এক নজরেই ব্যবসার অবস্থা বোঝা যায়।
অ্যাপ-লাইক এক্সপেরিয়েন্স: এটি মূলত ওয়েব-ভিত্তিক প্ল্যাটফর্ম হলেও এর ডিজাইনটি করা হয়েছে আধুনিক মোবাইল অ্যাপের মতো। ফলে কম্পিউটার বা মোবাইল—যেকোনো ডিভাইসেই এটি ব্যবহার করা সমান আরামদায়ক।
ক্লিন ও আধুনিক ডিজাইন: এতে অতিরিক্ত বা অপ্রয়োজনীয় কোনো অপশন রাখা হয়নি। Tailwind CSS এবং আধুনিক Glassmorphism ইফেক্ট ব্যবহারের ফলে ইন্টারফেসটি দেখতে যেমন সুন্দর, তেমনি এটি চোখের জন্য স্বস্তিদায়ক।
সহজ নেভিগেশন: মেনুগুলো খুব চমৎকারভাবে সাজানো। কাস্টমার লিস্ট, ইনভয়েস তৈরি বা পেমেন্ট রিপোর্ট—সবকিছুই মাত্র এক বা দুই ক্লিকেই খুঁজে পাওয়া যায়।
রেসপন্সিভ লেআউট: এটি শতভাগ রেসপন্সিভ। অর্থাৎ আপনি অফিসে থাকলে ডেস্কটপে ব্যবহার করতে পারেন, আবার বাইরে থাকলে মোবাইলের মাধ্যমে দ্রুত কোনো ইনভয়েস চেক বা পেমেন্ট কনফার্ম করতে পারেন।
সারসংক্ষেপ: বিলতুলি-র ইন্টারফেসটি মূলত "Complex system, Simple usage" নীতিতে তৈরি। অর্থাৎ ভেতরে অনেক জটিল হিসাব-নিকাশ চললেও ইউজারের কাছে তা অত্যন্ত সহজ এবং সাবলীল মনে হয়।
২৪/৭ গ্রাহক সহায়তা
BillTuli.com তাদের গ্রাহকদের নিরবচ্ছিন্ন সেবা নিশ্চিত করতে ২৪/৭ গ্রাহক সহায়তা (24/7 Customer Support) প্রদান করে
যেকোনো সময় সমাধান: দিন হোক বা রাত, আপনার ব্যবসায়িক বিলিং বা পেমেন্ট সংক্রান্ত কোনো টেকনিক্যাল সমস্যা দেখা দিলে তাৎক্ষণিক সহায়তা পাওয়ার নিশ্চয়তা।
মাল্টি-চ্যানেল সাপোর্ট: গ্রাহকরা সাধারণত হোয়াটসঅ্যাপ (WhatsApp), লাইভ চ্যাট, ইমেইল অথবা সরাসরি কল করার মাধ্যমে সাপোর্ট টিমের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন।
ডেডিকেটেড টিম: সফটওয়্যার এবং ফিনটেক বিষয়ে অভিজ্ঞ একটি টিম সবসময় প্রস্তুত থাকে, যাতে আপনার সমস্যার দ্রুত এবং কার্যকর সমাধান পাওয়া যায়।
রিমোট অ্যাসিস্ট্যান্স: যদি কোনো ইউজার সিস্টেমের কোনো ফিচার বুঝতে না পারেন, তবে সাপোর্ট টিম রিমোটলি (যেমন- Screen Share এর মাধ্যমে) সেটি বুঝিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করে।
পেমেন্ট ইস্যু রেজোলিউশন: পেমেন্ট গেটওয়ে বা ট্রানজেকশন সংক্রান্ত কোনো জটিলতা তৈরি হলে তা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে দ্রুত সমাধান করা হয়, যাতে ব্যবসার লেনদেন বন্ধ না থাকে।
গাইডলাইন ও টিউটোরিয়াল: সরাসরি সহায়তার পাশাপাশি ব্যবহারকারীদের জন্য সহজবোধ্য ডকুমেন্টেশন বা ভিডিও টিউটোরিয়াল প্রদান করা হয়, যাতে তারা নিজেরাই প্রাথমিক সমস্যার সমাধান করতে পারেন।
সিকিউরিটি এবং আপডেট
আমাদের সাইটের নিরাপত্তা এবং আপডেট সম্পর্কে জানতে চান? আমাদের সিকিউরিটি টিমের সাথে যোগাযোগ করুন এবং সর্বশেষ তথ্য পান।